তৃণমূলের মতামত না নিয়ে দিরাই পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মেয়র প্রার্থীকে দলীয় সমর্থন জানানোয় এ দুটি দলে জ্বলছে তুষের আগুন। প্রকাশ্যে বিরোধিতা না করলেও আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুটি অংশ নির্বাচনী প্রচারণা থেকে কৌশলে দূরে রয়েছে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এখন এ দুই হেভিওয়েটের পছন্দের প্রার্থীর বিজয় নিজেদের বিজয় হিসেবেই দেখছেন এলাকাবাসী।
প্রার্থী নির্বাচনে পক্ষপাত ও একক সিদ্ধান্তের কারণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ আবদুল কুদ্দুছ ইতিমধ্যে সভাপতির পদ ত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি বলেন, 'যে দলের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ হয় না, গণতন্ত্র নেই, সেখানে থাকলে ব্যক্তিত্বই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে।' এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত হাফিজুর রহমান মাস্টারকে প্রার্থী না করায় সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন। পরে তিনি ও বিএনপির অপর প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাইয়ুম মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নিলেও দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন না। জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ। পৌর নির্বাচনে তিনি চাইছিলেন তাঁর ছোট ভাই সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল কাইয়ুমকে প্রার্থী করতে। কিন্তু নাছির উদ্দিন চৌধুরী তাঁর ভাই মইনুদ্দিন চৌধুরী মাসুককে প্রার্থী ঘোষণা করলে তিনি অভিমানে দল থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পরে দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন।
প্রার্থী নির্বাচনে পক্ষপাত ও একক সিদ্ধান্তের কারণে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দিরাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ আবদুল কুদ্দুছ ইতিমধ্যে সভাপতির পদ ত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি বলেন, 'যে দলের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ হয় না, গণতন্ত্র নেই, সেখানে থাকলে ব্যক্তিত্বই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে।' এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত হাফিজুর রহমান মাস্টারকে প্রার্থী না করায় সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন। পরে তিনি ও বিএনপির অপর প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাইয়ুম মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নিলেও দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন না। জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর প্রধান সহযোগী হিসেবে পরিচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ। পৌর নির্বাচনে তিনি চাইছিলেন তাঁর ছোট ভাই সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল কাইয়ুমকে প্রার্থী করতে। কিন্তু নাছির উদ্দিন চৌধুরী তাঁর ভাই মইনুদ্দিন চৌধুরী মাসুককে প্রার্থী ঘোষণা করলে তিনি অভিমানে দল থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পরে দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন।
Post a Comment